মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও জাঁকজমক পূর্ণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ ইং উদযাপন করা হয়েছে।উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিজয় র্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা- কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষার্থী সহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তবে এত বড় ও বহুমুখী আয়োজন ঘিরে সরকারি বরাদ্দ ও অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকার থেকে যে বরাদ্দ দেওয়া হয় তা মূলত প্রটোকল ব্যয়, মঞ্চ প্রস্তুতি, ব্যানার-ফেস্টুন, সাউন্ড সিস্টেম ও সীমিত সাংস্কৃতিক আয়োজনের জন্য নির্ধারিত।
সচেতন মহলের মতে, বিজয় দিবস জাতির গর্ব ও আত্মত্যাগের প্রতীক। কিন্তু এই জাতীয় দিবস উদযাপনে অর্থ আদায় ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা না থাকলে দিনটির মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। তারা সরকারি বরাদ্দ ও অতিরিক্ত সংগৃহীত অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ, নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে ব্যয় নিরীক্ষা এবং ভবিষ্যতে চাঁদা আদায় ছাড়াই সীমিত ও শালীন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন নাগরিকদের মতে, মহান বিজয় দিবস কেবল উৎসবের দিন নয়; এটি স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও জবাব দিহিতারও প্রতীক। সেই মূল্যবোধ বাস্তবে প্রতিফলিত হলেই বিজয় দিবস উদযাপন হবে। মহান জাতীয় বিজয় দিবস উদ্ যাপন উপলক্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোন চাঁদা তুলেছেন কিনা এমন প্রশ্ন করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ মো: বশির আহম্মেদ লস্কর বলেন, এ বিষয়টি স্যার জানেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপনার সাথে পরে কথা বলবো।