• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অসুস্থ অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে–অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম কম্বোডিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ‘অভিভাবক’ মামুন: মানবতার বন্ধু এখন অপশক্তির চোখের কাঁটা টঙ্গীতে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানকে হত্যাচেষ্টা আধুনিক সংবাদের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হাদির হত্যাকারীদের ১৪ দিনের রিমান্ড জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু সিরাজদিখানের মধ্যপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু সিরাজদিখানে মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না: অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম প্রতিবেশী দেশে আর হামলা করবে না ইরান: প্রেসিডেন্ট

আয়োজনের আড়ালে প্রশ্নবিদ্ধ অর্থায়ন? সিরাজদিখানে বিজয় দিবস উদযাপন নিয়ে উঠেছে স্বচ্ছতার প্রশ্ন

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ / ১৯৪ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও জাঁকজমক পূর্ণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ ইং উদযাপন করা হয়েছে।উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিজয় র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা- কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষার্থী সহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তবে এত বড় ও বহুমুখী আয়োজন ঘিরে সরকারি বরাদ্দ ও অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য সরকার থেকে যে বরাদ্দ দেওয়া হয় তা মূলত প্রটোকল ব্যয়, মঞ্চ প্রস্তুতি, ব্যানার-ফেস্টুন, সাউন্ড সিস্টেম ও সীমিত সাংস্কৃতিক আয়োজনের জন্য নির্ধারিত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সীমিত বরাদ্দ দিয়ে এমন বড় আয়োজন বাস্তবায়ন করা বাস্তবসম্মত নয়। তাদের দাবি, সরকারি বরাদ্দের বাইরে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠলেও এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত বিজ্ঞপ্তি, হিসাবপত্র কিংবা প্রকাশ্য ব্যয় বিবরণী এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

সচেতন মহলের মতে, বিজয় দিবস জাতির গর্ব ও আত্মত্যাগের প্রতীক। কিন্তু এই জাতীয় দিবস উদযাপনে অর্থ আদায় ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা না থাকলে দিনটির মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। তারা সরকারি বরাদ্দ ও অতিরিক্ত সংগৃহীত অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ, নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে ব্যয় নিরীক্ষা এবং ভবিষ্যতে চাঁদা আদায় ছাড়াই সীমিত ও শালীন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, সরকারি বরাদ্দ অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় স্থানীয় সহযোগিতার মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং সব ব্যয় বিধিমালা অনুসরণ করেই করা হয়েছে। তবে লিখিত হিসাব প্রকাশের বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি।

সচেতন নাগরিকদের মতে, মহান বিজয় দিবস কেবল উৎসবের দিন নয়; এটি স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও জবাব দিহিতারও প্রতীক। সেই মূল্যবোধ বাস্তবে প্রতিফলিত হলেই বিজয় দিবস উদযাপন হবে। মহান জাতীয় বিজয় দিবস উদ্ যাপন উপলক্ষে আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোন চাঁদা তুলেছেন কিনা এমন প্রশ্ন করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সিএ মো: বশির আহম্মেদ লস্কর বলেন, এ বিষয়টি স্যার জানেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপনার সাথে পরে কথা বলবো।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুম্পা ঘোষের সেল ফোনে (০১৭৩৩৩৬০৩০৩) একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অপর দিকে তার হোয়াট্স এ্যাপে ম্যাসেজ দেয়েও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!