• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ঢাকা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন: ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১৪ এপ্রিল প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে আসছে ইসরায়েলের কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, অনুসন্ধানী সংবাদে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজধানীতে ঢাকাস্থ সৈয়দ মহল্লা সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ হবে এবার রোগমুক্ত! আমান উল্লাহ আমান সোনারং–টঙ্গীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

আ.লীগকে নির্বাচনে আনতে দেশি-বিদেশি কোনো চাপ নেই

সংবাদদাতা / ৩৭ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

মাগুরা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার জন্য দেশি-বিদেশি কোনো রকমের চাপ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন বারবার বলেছে—আওয়ামী লীগ আর নির্বাচন করতে পারবে না। আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে দেশি-বিদেশি কোনো ধরনের চাপও নেই। বরং সবাই বলছে—এত খুন করেছে তারা, এত হত্যাযজ্ঞ করেছে, তারা জুলাইুআগস্টে শত শত ছাত্র ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। এত মানুষ হত্যা করার পরও আওয়ামী লীগ অনুতপ্ত হচ্ছে না।’ শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) মাগুরার নবগঙ্গা নদীর তীরে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আগে এক সময় নির্বাচনে দেখা যেত একজন মাত্র প্রার্থী। আর কোনো প্রার্থী নেই। একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে বিধানটায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে যে, আপনি ‘না’ ভোট দিতে পারবেন। এটা করার মূল কারণ- আপনারা জানেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের এইচ টি ইমামসহ যারা নেতা ছিলেন, তারা এমন একটি ম্যানুপুলেট করলেন—১৫৪টা আসনে ভোটে তারা এককভাবে প্রার্থী হয়ে জিতে গেলেন, নির্বাচন হওয়ার আগে ১৫৪টা আসনে জিতে গেলেন। নির্বাচন হলো না। আপনি ভোট দিতে পারলেন না। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দলের সব প্রার্থী জিতে গেল। এটার জন্য মূল দায় ছিল এইচটি ইমামসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের। এ রকম নির্বাচন যেন বাংলাদেশে আর না হয়। বাংলাদেশের মানুষ যেন তার ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারে, সেজন্য বিধানটা করা হচ্ছে।’

জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সব দল একমত হয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হবে। ত্রয়োদশ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ, পিসফুল ও ফ্রি-ফেয়ার নির্বাচন হবে।

জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনকালে প্রেস সচিবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল কাদির, মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলীসহ স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!