• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নির্দেশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নিজ দপ্তরে লাইট ও এসির মাত্রা কমালেন প্রধানমন্ত্রী কাঞ্চন পৌরবাসীর প্রত্যাশা—মেয়র হিসেবে দেখতে চান অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমনকে ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন, ১৮ মার্চ ছুটির সিদ্ধান্ত সরকারের আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, আধাঘণ্টা অপেক্ষার পর খোলা হলো তালা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ছেলে মোজতবা রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান দুই কমিশনারসহ দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চালের দাম বৃদ্ধির খবর শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ছেলে মোজতবা

সংবাদদাতা / ৫ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

অনলাইন  ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি দেশটির পরবর্তী সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।সংবাদ মাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) বিপ্লবী বাহিনীর (রেভল্যুশনারি গার্ডস) চাপের মুখে আলী খামেনির ছেলে মোজতবাকে পরবর্তী সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

সিএনএনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনির দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা পর্দার আড়ালে ব্যাপক প্রভাব খাটানোর জন্য পরিচিত। দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও তাদের স্বেচ্ছাসেবী আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’-এর সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তার সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পথে বাধার কথা জানিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, শিয়া মুসলিম আলেম সমাজ, বিশেষ করে বিপ্লবোত্তর ইরানে বাবা থেকে ছেলের উত্তরাধিকারকে বাঁকা চোখে দেখে। কারণ দেশটি একটি রাজতন্ত্রকে উৎখাতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আরেকটি বাধা হলো, মোজতবা কোনো উচ্চপদস্থ আলেম নন এবং প্রশাসনে তার কোনো দাপ্তরিক ভূমিকা নেই।২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

প্রায় চার দশক ধরে শক্তহাতে দেশ শাসন করা অভিজ্ঞ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির আনুষ্ঠানিক কোনো উত্তরাধিকারী ঘোষণা করা ছিল না। যে কারণে ৮৮ জন জ্যেষ্ঠ আলেমের সমন্বয়ে গঠিত অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস বা বিশেষজ্ঞ পরিষদের ওপর পরবর্তী নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব পড়ে।১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর আগে কেবল একবারই এই পরিষদ এমন দায়িত্ব পালন করেছিল। তখন তিন দশকেরও বেশি সময় আগে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছিল।এখন দ্বিতীয়বার এই পরিষদ সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!