• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১৪ এপ্রিল প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ফুরিয়ে আসছে ইসরায়েলের কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, অনুসন্ধানী সংবাদে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজধানীতে ঢাকাস্থ সৈয়দ মহল্লা সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ হবে এবার রোগমুক্ত! আমান উল্লাহ আমান সোনারং–টঙ্গীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী ঝালকাঠি জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শামীম, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল

ওসি প্রদীপের পথেই হাঁটছে ভুরুঙ্গামারীর ওসি আল হেলাল মাহমুদ- অভিযোগ সাধারণ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ১৯৯ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল হেলাল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ তুলেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকরা। তাঁদের ভাষ্য—ওসি আল হেলাল মাহমুদ যেসব কর্মকাণ্ডে জড়িত, তা কক্সবাজারের কুখ্যাত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের অপ কর্মের দিকেই ইঙ্গিত করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, থানায় যোগদানের পর থেকেই ওসি আল হেলাল মাহমুদ সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে ভুয়া মামলা দেওয়া, হুমকি–ধমকি, হয়রানি ও নির্যাতনকে নিয়মিত পদ্ধতিতে পরিণত করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার–বাণিজ্য, রাজনৈতিক প্রতিশোধ মূলক মামলা, এমনকি বিভিন্ন পক্ষকে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

একাধিক ভুক্তভোগীর দাবি,“এলাকায় এখন আতঙ্কের নাম ওসি আল হেলাল। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বললেই গায়েবি মামলা, মিথ্যা অভিযোগ আর পুলিশি হেনস্তার শিকার হতে হয়।”সাংবাদিক সমাজও তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছে। তাঁদের দাবি, একজন সাংবাদিক দুর্নীতি বা অন্যায়ের খবর প্রকাশ করলেই তাঁর নামে ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সম্প্রতি সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের নামে ধারাবাহিক চারটি মামলা দেওয়ার ঘটনার পর স্থানীয় সমাজে ক্ষোভ আরও বাড়ে।

স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠনের এক সদস্য বলেন,
“ওসি আল হেলালের কর্মকাণ্ড দেখলে মনে হয়—তিনি যেন ওসি প্রদীপের পথ অনুসরণ করছেন। সাধারণ মানুষের ওপর যে ধরনের নির্যাতন, ভয়ভীতি ও মামলা দিয়ে চুপ করানোর চেষ্টা তিনি করেন, তা আইনের সঙ্গে সম্পূর্ণ বেমানান।”এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মো. আল হেলাল মাহমুদ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,“আমি আইনের মধ্যে থেকেই দায়িত্ব পালন করি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে—এসব ভিত্তিহীন।”তবে স্থানীয়দের দাবি, পরিস্থিতি তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ সদর দপ্তরের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য—

“যে থানায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা চাইতে যায়, সেখানে যদি ওসির ভয় লাগে—তাহলে সেই থানার সমস্যার গভীরতা বুঝে নিতে বেশি সময় লাগে না।” ঘটনার কারণে ভুরুঙ্গামারীতে এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!