• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অসুস্থ অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে–অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম কম্বোডিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ‘অভিভাবক’ মামুন: মানবতার বন্ধু এখন অপশক্তির চোখের কাঁটা টঙ্গীতে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানকে হত্যাচেষ্টা আধুনিক সংবাদের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হাদির হত্যাকারীদের ১৪ দিনের রিমান্ড জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু সিরাজদিখানের মধ্যপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু সিরাজদিখানে মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না: অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম প্রতিবেশী দেশে আর হামলা করবে না ইরান: প্রেসিডেন্ট

কলকাতার বাবুঘাটে চলছে, জাগ্রত চামুন্ডা কালী সহ প্রতিমার বিসর্জন

কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ সংবাদদাতাঃ / ৫৩ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ সংবাদদাতাঃ আজ ২৪ শে অক্টোবর শুক্রবার, কলকাতার বাবুঘাটে পুলিশি নজরদারী ও কে এম সির তত্ত্বাবধানে চলছে দুদিন যাবৎ কালী প্রতিমা নিরঞ্জন, সারা ঘাট জুড়ে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে কে এম সির অফিসারে’রা সতর্ক নজর রাখছেন, বারবার মাইকিং করে পূজো উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে দিচ্ছেন, প্রতিমার সহিত বেশি লোক প্রবেশ করিবেন না এবং মহিলা’রা কেউ ঘাটে প্রবেশ করিবেন না, কিন্তু কিছু কিছু পুজো উদ্যোক্তা প্রশাসনের নির্দেশ’কে অমান্য করে দু একটি মহিলাকে নিয়ে ভেতরে ঢুকছেন, পুলিশের তরফ থেকে বাধা দিলেও নিজেদের লোক বলে ঘাটে প্রবেশ করিয়ে নিচ্ছেন।

তবে নদীর জলে কাউকে নামতে দেওয়া হচ্ছে না , নদীর ধারেও পুলিশি পাহারা, ও কে এম সি লোকেরা সরিয়ে দিচ্ছেন সকলকে। বেলা দশটার পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে কালী প্রতিমা নিরঞ্জন, অনেক ক্লাবের উদ্যোক্তা প্রসেশন করে বাজনা বাদ্দ্যি সহকারে প্রতিমা ঘাটে আনছেন, এবং পুলিশের নির্দেশ মতো একে একে প্রতিমা নিয়ে ঘাটে বিসর্জন করছেন। যাতে কোন রকম ভাবে গন্ডগোলের সৃষ্টি না হয়, দু একটি পুজো উদ্যোক্তার ছেলে’রা ঘাটে বাজি ফাটালে, সেখানে ও পুলিশের তরফ থেকে মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কেউ ঘাটের মধ্যে বাজী ফাটাবেন না, বাধ্য হবো গ্রেপ্তার করতে, সরকারের নির্দেশ মেনে চলুন। কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকশো প্রতিমা বিসর্জন করতে বাবুঘাটে জমা হয়েছেন,

অন্যদিকে চেতলার নাম করা জাগ্রত চামুণ্ডা মা নিয়ে ঘাটে বিসর্জন করতে আসেন, এই চামুন্ডা মা বিসর্জনের সময়, ঘাটের সারা এলাকা পুলিশ দিয়ে ঘেরে রাখা হয়, অন্য কোন প্রতিমা বিসর্জন করতে দেয় না যতক্ষণ না এই মা বিসর্জন হয়। তাই ঘাটে চামুণ্ডা মা পৌঁছানো সাথে সাথে, চামুণ্ডা মাকে ঘাটের ভেতর ঢুকিয়ে সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয় যাতে কোন রকম গন্ডগোল না ঘটে, এই চামুন আমাকে বিসর্জন করে যাওয়ার পর অন্যান্য প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়।

নদী দূষণ যাতে না ঘটে, তাহার জন্য কে এম সির কর্মীরা সর্বদায় সতর্ক রয়েছেন, প্রতিমা ফেলার সাথে সাথে, প্রতিমা গুলিকে জল থেকে ক্রেনের মাধ্যমে তুলে ডাঙায় একটি জায়গায় জমা করে রাখছেন।, এবং সেখান থেকে কেএম সির গাড়িতে তুলে অন্যত্র রেখে আসা হচ্ছে। সরকারের নির্দেশ মতো তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন। এবং যাতে কোন রকম কোন অজানা বস্তু ঘাটে পড়ে না থাকে, তাহার জন্য গোয়েন্দা বিভাগ ও bom squad এর অফিসার’রা মেটাল ডিরেক্টর দ্বারা ঘাটে চতুর্দিক পরীক্ষা করছেন। এবং মাঝে মাঝে কলকাতা পুলিশের সি পি অফিসার ঘুরে যাচ্ছেন প্রতিটি ঘাট।

কিন্তু এই জাগ্রত চামুন্ডা কালী কে কখনোই কেনে সাহায্যে ডাঙ্গায় তুলে আনা হয় না, চামুন্ডা মাকে বিসর্জন করার সাথে সাথে, ক্লাবের উদ্যোক্তা’রা জলে নেমে, প্রতিমার গা থেকে মাটি খসিয়ে, কাঁচতে দিয়ে কেটে সমস্ত কিছু খড় দড়ি জলে ভাসিয়ে দেন, এই রীতি প্রতি বছর চলে আসছে,
আর এই চামুন্ডা মার বিসর্জন দেখার জন্য, বিভিন্ন জায়গা থেকে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন দর্শক’রা, কখন চামুন্ডা আমাকে নিয়ে আসবেন এবং বিসর্জন দেবেন,

তবে দু একটি ছোট্ট ঘটনা ছাড়া, প্রতিমা নিরঞ্জন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভাবে হয়েছে বলে জানান।, সরকারের নির্দেশ মতো, সরকার তরফ থেকে সকল পূজো উদ্যোক্তা’কে, শুভ শারদীয়া ও শুভ দীপাবলি এবং ছট পুজোর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, পূজো উদ্যোক্তা’রা বিসর্জন এর সময়, একটা কথাই বলছেন, আসছে বছর আবার হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!