সজিব হাওলাদার (নিজস্ব) সংবাদদাতা: মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার অন্তর্গত মধ্যপাড়া গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন সামাজিক সংগঠন “তারুণ্যের শক্তি সামাজিক সংগঠন”। স্থানীয় তরুণ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে মানবিক, সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে সংগঠনটি ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
গত ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংগঠনের এক সভার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা জানান, সমাজের অসংগতি দূরীকরণ, মানবিক সহায়তা প্রদান, শিক্ষা, ক্রীড়া, ধর্মীয় ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণই সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য। একইসঙ্গে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে এবং মেয়াদ শেষে নতুন কমিটি গঠন করা হবে।
ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ ইকবাল তালুকদার। সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তার সরদার, করিম মাদবর ও দুলাল সরদার। সহ- সভাপতি হিসেবে রয়েছেন ওয়াসিম বেপারী, আক্তার সরদার, কাদির শেখ, মোঃ আরিফ শেখ, এছাড়াও মানিক ব্যাপারী, আওলাদ শেখ ও মোহাম্মদ ইদ্রিস শেখ সহ-সভাপতির দায়িত্বে আছেন।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সাখায়াত সরদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন রতন বেপারী ও রমজান শেখ, এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক আমির সরদার। সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু তালুকদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু হাওলাদার, এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সহযোগী হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ ইমরান মাদবর।
কোষাধ্যক্ষ শাহাদাত সরদার ও সহ-কোষাধ্যক্ষ রুবেল বেপারী দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন ফকির, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মুজাহিদ শেখ, ক্রীড়া সম্পাদক ফারদিন শেখ, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আকাশ শেখ, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শুভ হোসেন, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সজীব হাওলাদার এবং প্রচার সম্পাদক মহিন হোসেন মনোনীত হয়েছেন।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, সংগঠনটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও মানবিক চেতনায় পরিচালিত হবে এবং সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের প্রধান অঙ্গীকার। এলাকাবাসী সংগঠন টির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন—তারুণ্যের শক্তিতে ভর করে মধ্যপাড়া ও আশপাশের এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
এদিকে গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় সাংগঠনিক সম্পাদকের বাসভবনে সংগঠনের পুরোনো সদস্যদের অংশ গ্রহণে এক পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্য আরও জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।