• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নির্দেশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নিজ দপ্তরে লাইট ও এসির মাত্রা কমালেন প্রধানমন্ত্রী কাঞ্চন পৌরবাসীর প্রত্যাশা—মেয়র হিসেবে দেখতে চান অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমনকে ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন, ১৮ মার্চ ছুটির সিদ্ধান্ত সরকারের আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, আধাঘণ্টা অপেক্ষার পর খোলা হলো তালা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ছেলে মোজতবা রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান দুই কমিশনারসহ দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চালের দাম বৃদ্ধির খবর শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বনানীতে শিশা লাউঞ্চে ডিবির হানা

সংবাদদাতা / ৬৫ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর বনানীর দুটি শিশা লাউঞ্চে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বনানীর ১১ নম্বর রোডের আনসারা ভবনে এ অভিযান চালানো হলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তখন লাউঞ্চ দুটির পক্ষে সর্বোচ্চ আদালতের রিটের নথি দেখালে ডিবির কর্মকর্তারা অভিযান স্থগিত করে স্থান ত্যাগ করে। অভিযানে একজন ম্যাজিস্ট্রেটও উপস্থিত ছিলেন। তবে অভিযানকালে গণমাধ্যম কর্মীদের ভেতরে যেতে দেয়নি আভিযানিক টিম। এমন অভিযোগ করেছেন শিশা লাউঞ্চের স্টাফরা।

                                                              আইনের সুবিচার চান ব্যবসায়ীরা

লাউঞ্চ দু’টির স্টাফদের অভিযোগ, সাদা পোশাকে আসা ডিবির টিম প্রতিষ্টানটির ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি) অকেজো করে দেয়। তারা জোর পূর্বক সেখানে প্রবেশ করে। প্রতিষ্ঠানে থাকা অতিথিদের একটি কক্ষে বসিয়ে রাখে। তারা বলেন, নিয়মের মধ্যে থাকার পরেও আজ পর্যন্ত অনেকগুলো মামলা হয়েছে। যে কারণে ৫টি শিশা লাউঞ্চের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, যখনই কোনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি সংস্থা রেইড দিতে আসে প্রথমেই ক্যামেরাগুলো অফ করে দেয়। ৫-৭ মিনিটের অভিযান চালিয়ে চলে যায়। এটি এক ধরনের তামাসা।

সূত্র জানায়, শিশা লাউঞ্জ কিংবা লাইসেন্সকৃত বারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ব্যতীত অন্য কোনে সংস্থা অভিযান চালাতে পারেনা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যদি অন্য কোনো কারনে অভিযানের প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এবং অধিদপ্তরের প্রধানকে জানিয়ে আসার বিধান রয়েছে। লাউঞ্চের স্টাফরা বলেন, কারো ইন্ধনে কিংবা ভিন্ন উদ্দেশ্যে ডিবি মাঝে মধ্যে অভিযানে আসে। বৈধভাবে ব্যবসা করতে গিয়েও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এমন রহস্যজনক আচরনের কারণে অতিথিরা সেখানে আসতে নিরাপদবোধ করেন না।

এতে তারা ব্যবসায়ীকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে স্থানীয় মাস্তান, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সংস্থার চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে রেস্টুরেন্ট ও বার মালিকরা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ডিএনসির মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর ডিএনসি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ভিত্তিতে ২০১৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর একটি সার্কুলার জারি করে, যেখানে নির্ধারণ করে দেওয়া হয় বারে কারা ও কীভাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারবে। সার্কুলারটি দেশের সব এসপি, ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ ২৭টি সরকারি দপ্তরে পাঠানো হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডেপুটি ডাইরেক্টর মানজারুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ২০ ধারার অনুযায়ী, লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ ও পরিদর্শনের ক্ষমতা শুধুমাত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অথবা তাঁর অনুমোদিত কর্মকর্তা ব্যবহার করতে পারেন। এই ক্ষমতা বর্তমানে অধিদপ্তরের পরিদর্শক পর্যায় পর্যন্ত অর্পিত রয়েছে। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কোনো বারে ভিন্ন কোনো সংস্থা অভিযান চালাতে চাইলে অবশ্যই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালাতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!