বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে “সিরাজদিখানের মধ্যপাড়ায় আওয়ামী লীগের দোষর এখন বিএনপি নেতা” শিরোনামে এবং “দলবদলের রাজনীতিতে প্রশ্নবিদ্ধ ইকবাল হোসেন তালুকদার” বিষয়ক যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
আমি, ইকবাল হোসেন তালুকদার (পিতা—মৃত মোছলেম তালুকদার), দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর যাবৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। বিগত সময়েও আমি বিএনপির আদর্শ ও নীতির প্রতি অবিচল থেকেছি এবং বর্তমানে একই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে আমার কখনো কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং নেই।
প্রকাশিত সংবাদে যে দাবি করা হয়েছে—আমি মধ্যপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলাম এবং এ সংক্রান্ত স্বাক্ষরিত কাগজপত্র রয়েছে—তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার নামে কোনো সদস্য ফরম বা কাগজপত্র প্রচার করা হয়ে থাকলে তা জাল, মনগড়া এবং অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে কারও নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করা অসম্ভব কিছু নয়।
এ ধরনের অপপ্রচার আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ব্যক্তিগত হিংসা- বিদ্বেষ চরিতার্থ করতেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করেছে বলে আমি মনে করি। আমি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের নিকট বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।
একই সঙ্গে আমি সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টাল গুলোকে অনুরোধ জানাচ্ছি—তারা যেন আমার এই প্রতিবাদ লিপিটি যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করে। সর্বোপরি, আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই—আমি কোনো সুবিধাবাদী দলবদলকারী নই; বরং দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন কর্মী। মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা দিয়ে আমার রাজনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না।
বিনীত,
ইকবাল হোসেন তালুকদার
মধ্যপাড়া ইউনিয়ন, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ।