গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি অনলাইন/প্রিন্ট গণমাধ্যমে প্রকাশিত “লৌহজংয়ের আলোচিত বুলবুল মেম্বার এখন কোথায়? জনমনে প্রশ্ন, প্রশাসনের নীরবতা” শীর্ষক সংবাদ টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি তে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খিদিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য শেখ মোহাম্মদ বুলবুল আহম্মেদ সম্পর্কে যে সকল অভিযোগ, ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার প্রতি আমরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বুলবুল মেম্বারের বিরুদ্ধে জমি দখল, অবৈধ বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজি, মামলা বাণিজ্য, বাল্যবিয়ে কিংবা মানুষ পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ উল্লেখ করা হলেও এসবের কোনো প্রামাণ্য নথি, আদালতের রায় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইকৃত তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। বরং “স্থানীয়দের অভিযোগ”, “নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র” বা “আলোচনা রয়েছে”—এ ধরনের অস্পষ্ট বক্তব্যের ওপর নির্ভর করে একজন নির্বাচিত জন প্রতিনিধির সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা সাংবাদিকতার নীতিমালা ও দায়িত্বশীলতার পরিপন্থী।
বাস্তবতা হলো, শেখ মোহাম্মদ বুলবুল আহম্মেদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা ও সামাজিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিদ্বেষপ্রসূত উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে আমরা মনে করি।
এছাড়া, প্রতিবেদনে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ না পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে—কিন্তু যথাযথ ভাবে মতামত গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি না করে এক পাক্ষিক ভাবে সংবাদ প্রকাশ করা দুঃখ জনক ও নিন্দনীয়। আমরা সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি—১। উক্ত বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য সংশোধন বা প্রত্যাহার করা হোক।
বুলবুল মেম্বারের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রকাশের ব্যবস্থা নেওয়া হোক, ভবিষ্যতে যাচাই- বাছাই ছাড়া এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকা হোক। পরিশেষে, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—যদি কারও কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তদন্ত হোক; কিন্তু ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে একজন জন প্রতিনিধি, কে হেয় প্রতিপন্ন করা কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রতিবাদকারী
……………
পক্ষে — শেখ মোহাম্মদ বুলবুল আহম্মেদ