
সামসুদ্দিন তুহিন:কল্যাণকর রাষ্ট্র বিনির্মাণ ও বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ–২ (টঙ্গীবাড়ী ও লৌহজং) আসনে নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক এ বি এম ফজলুল করিম।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে মুন্সীগঞ্জের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন তিনি। একই সঙ্গে জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী মাজেদুল ইসলামকে সমর্থনের ঘোষণা দেন অধ্যাপক ফজলুল করিম।

এর ফলে মুন্সীগঞ্জ–২ আসনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকছেন মাজেদুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে অধ্যাপক এ বি এম ফজলুল করিম বলেন,
“বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শভিত্তিক ও সুশৃঙ্খল সংগঠন। কেন্দ্রীয় ও দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। এতে আমার কোনো অনুযোগ কিংবা হতাশা নেই। ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পক্ষে যারাই কাজ করবে, আমরা তাদের সাথেই থাকব।”
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন পাওয়ার পর দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মুন্সীগঞ্জ–২ আসনের অলিগলি ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছি। প্রতিটি ওয়ার্ডে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি এবং সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও দোয়া পেয়েছি। কতটুকু পেরেছি জানি না, তবে মানুষের যে আন্তরিকতা ও সাহস পেয়েছি, তাতে আমি সত্যিই অভিভূত।
অধ্যাপক ফজলুল করিম বলেন, এই এলাকার দায়িত্বশীল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ খেয়ে না খেয়ে, রাত-দিন পরিশ্রম করে যে সহযোগিতা করেছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই ভালোবাসা ও ত্যাগ আমার জীবনের অন্যতম প্রাপ্তি।
তিনি আরও বলেন,
“প্রার্থী হিসেবে যেভাবে মাঠে কাজ করেছি, এখনো একই আন্তরিকতা নিয়ে জোটের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাব। ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানুষের কল্যাণে দল যে ভূমিকা প্রত্যাশা করে, ইনশাল্লাহ আমি সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব।”