• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অসুস্থ অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে–অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম কম্বোডিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ‘অভিভাবক’ মামুন: মানবতার বন্ধু এখন অপশক্তির চোখের কাঁটা টঙ্গীতে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানকে হত্যাচেষ্টা আধুনিক সংবাদের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হাদির হত্যাকারীদের ১৪ দিনের রিমান্ড জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু সিরাজদিখানের মধ্যপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু সিরাজদিখানে মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না: অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম প্রতিবেশী দেশে আর হামলা করবে না ইরান: প্রেসিডেন্ট

ভোটকেন্দ্রে যারা নাশকতা করতে আসবে, ঝুঁকি তাদেরই: র‍্যাব ডিজি

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ / ১০৮ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে নাশকতা, জালভোট, ব্যালট বাক্স ছিনতাই বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ঝুঁকি সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো ঝুঁকি নেই, কারণ তারা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় অবস্থিত রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। র‍্যাব ডিজি বলেন, যারা নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করবে, জালভোট দেবে, ব্যালট বাক্স ছিনতাই করবে বা ফলাফল মেনে না নিয়ে নাশকতার চেষ্টা করবে—তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দ্বিধা থাকবে না। ঝুঁকি যদি কারও থাকে, তা আইন ভঙ্গকারীদেরই। তিনি জানান, তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই র‍্যাব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত দেড় থেকে দুই মাসে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে এবং কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়েও অভিযান চালানো হয়েছে।

নির্বাচনকে তিনটি ধাপে ভাগ করে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা বলেন, ধাপগুলো হলো—নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়। নির্বাচন-পূর্ব সময় শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। নির্বাচনের দিন র‍্যাব স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

ইতোমধ্যে ৬৪ জেলায় র‍্যাবের টিম মোতায়েন রয়েছে। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার ও পুলিশসহ সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও ওসিদের সঙ্গে সমন্বয় করে র‍্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রগুলোকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সে অনুযায়ী স্থির ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।

প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে এবং পুলিশের প্রায় ২৫ হাজার ৭০০ বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ড্রোন, র‍্যাবের ডগ স্কোয়াড, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বহিরাগতদের উপস্থিতি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী অযৌক্তিকভাবে বহিরাগতদের অবস্থান নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে র‍্যাব সতর্ক নজরদারিতে রয়েছে। বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন বা ভোটার প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কোথাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলে এবং ভোটগ্রহণের পরিবেশ বিঘ্নিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নিতে পারে। র‍্যাব মহাপরিচালক জানান, জঙ্গি হামলার কোনো নির্দিষ্ট হুমকি নেই। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!