• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নির্দেশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নিজ দপ্তরে লাইট ও এসির মাত্রা কমালেন প্রধানমন্ত্রী কাঞ্চন পৌরবাসীর প্রত্যাশা—মেয়র হিসেবে দেখতে চান অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমনকে ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন, ১৮ মার্চ ছুটির সিদ্ধান্ত সরকারের আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, আধাঘণ্টা অপেক্ষার পর খোলা হলো তালা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ছেলে মোজতবা রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান দুই কমিশনারসহ দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চালের দাম বৃদ্ধির খবর শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সখীপুরে ঘোষিত ইকো পার্ক দেখেনি আলোর মুখ

সংবাদদাতা / ৫৩ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

আহমেদ সাজু (সখীপুর) টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া বাজার এলাকায় তৎকালীন সরকার ঘোষিত বনভূমির আওতায় ইকো পার্ক এখনো বাস্তবে রুপ নেয়নি। বিগত সরকারের আমলে একবিংশ শতাব্দীর ২০ সালের মার্চ মাসের ৩ তারিখে নলুয়া এলাকায় প্রস্তাবিত ইকো পার্কের ঘোষণা করে।প্রস্তাবিত নলুয়া বাজার এলাকায় ইকো পার্ক ৫ টি মৌজায় মোট ৬৯০ একর জমি আওতাভুক্ত হয়।প্রস্তাবিত নলুয়া বাজার এলাকায় ইকোপার্কে গজারি বন,সৃজিত বাগান,বাইদ বনভূমি, মালিকানা রেকর্ড ভূমি, খাসভূমি রয়েছে।

নলুয়া বাজার এলাকার ইকোপার্কের মৌজা অনুযায়ী সাবেক ও হাল দাগ,প্রত্যেক মৌজার সিট ম্যাপ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।ইতিমধ্যে ইকোপার্কের মূল অংশ নলুয়া ও ঘেচুয়া মৌজার বি.এস কপি হালনাগাদ সরবরাহ করা হয়েছে।নলুয়া বাজার এলাকায় ইকোপার্কের আওতায়ভুক্ত মোট জমি মধ্যে সি.এস ও বি.এস রেকর্ড অনুযায়ী বনভূমির ৫২৭.৮০একর।উল্লেখ্য জমি হতে ৯.৬২একর বনভূমি জবরদখল আছে।কিন্তু পূর্বের সি.এস রেকর্ড অনুযায়ী বনভূমি ছিল ৫২৮.০৪একর।আবার বিএস রেকর্ড অনুযায়ী নলুয়া ০.১১ একর ও ঘেচুয়া ০.১৩ দুটি মৌজার প্রায় ০.২৪ একর বনভূমি কম আছে।যার কারণে বর্তমানে প্রস্তাবিত ইকো পার্কে বনভূমি পরিমাণ ৫২৭.৮০ একর চুড়ান্ত।এছাড়া বি.সি বাইদ,বেড়বাড়ী,ও রতনপুর মৌজা ৩ টির চলমান বি.এস জরিপে বনবিভাগের নামে রেকর্ড রয়েছে।

বিগত সময়ে নলুয়া বাজার এলাকায় ইকোপার্ক ঘোষণার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত অংশের সকল তথ্যাদি সরবরাহ করা গেছে ।এতো কিছুর পরও পার্কটি এখনও আলোর মুখ দেখেনি।এখানে দর্শনীয় স্থান হিসেবে একটি বিমান ঘাঁটি আছে। অনেকে ঘোষণার পরপরই নানা পরিকল্পনা অনুসারে দোকান-পাট দেওয়ার চিন্তা করছে। তাই উপজেলার সাধারণ মানুষের দাবি, এটি অল্প সময়ে বাস্তবায়ন হলে বিনোদনের খোরাক সৃষ্টি হবে।

ঘোষিত ইকোপার্ক এলাকার মানুষের নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।স্থানীয় বাসিন্দা হাবিব মিয়া জানান,ইকোপার্কে আমাদের আবাদি জমি বেহাত হলে,এলাকার উন্নয়ন চিন্তা করে খুশি হয়ে ছিলাম।কিন্তু গত কয়েক বছরেরও পার্কের কোন কার্যক্রম দেখছি না।ভোরের কাগজের প্রতিনিধির সাথে কথা হয় নলুয়া বাছেদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমন আহমেদের সাথে তিনি জানায়,এটি প্রতিষ্ঠিত হলে আমাদের উপজেলার জন্য আশীর্বাদ হবে বলে আশা করি।দেশের প্রতিটি অঞ্চলে উপজেলার সু-খ্যাতি ছড়িয়ে পড়বে। সখীপুর উপজেলা বনাঞ্চলের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল রনী জানান,সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করে কাজের অগ্রগতি জানতে পারবো। এবিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা টাঙ্গাইলের ড. আবু নাসের মহসিন বলেন,নলুয়া ইকোপার্ক বাস্তবায়নে দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।এটি কর্মকর্তাদের উদ্যোগে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সকল জটিলতা নিরসন করে দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!