নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরণের ভূমিকা রাখছে এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নাসা গ্রুপ অন্যতম। নাসা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম মজুমদারের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে রূপ নিয়েছে। নাসা গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকেই উৎপাদন দক্ষতা, পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মাপকাঠিতে অনন্য উচ্চতায় পৌছেছে। নিজেদের কর্মদক্ষতা দেখিয়ে বর্তমানে নাসা গ্রুপ ৩৪টি কারখানা, ৩ মিলিয়ন বর্গফুটের উৎপাদন স্থান, ৫০ মিলিয়ন উৎপাদন ক্ষমতা, ২১০টি উৎপাদন লাইন এবং ১৯,০০০ এরও বেশি অত্যাধুনিক মেশিন পরিচালনা করছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে কর্মরত ৩০,৫০০ কর্মচারীর জন্য এটি একটি নির্ভরযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।
যা এদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরণের বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। জন্মলগ্ন থেকেই আর্থিক প্রবৃদ্ধির দিকে মনোযোগী না হয়ে পরিবেশ রক্ষায়ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। প্রতি বছর ১২১,৬৮২ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ হ্রাস, বার্ষিক ২৪ লাখ ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সাশ্রয়, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পুনর্ব্যবহৃত সুতা, সম্পূর্ণ পানি নির্ভর ও রাসায়নিকমুক্ত রঙ ব্যবহার, উন্নতমানের সুতা ও প্রাকৃতিক তুলা ব্যবহার করে আসছে। নাসা গ্রুপ শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেই সীমাবদ্ধ নয়। গত অর্থবছরে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সেই সাথে গুণমান বজায় রেখে বিশ্বমানের পোশাক উৎপাদন করে আসছে। গুণগত মান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বর্হিঃবিশ্বে বাংলাদেশকে একদিকে যেমন সম্মানজনক স্থানে পৌঁছে দিচ্ছে এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার ও আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজনের মাধ্যমে আমরা উন্নত শিল্প কার্যক্রম নিশ্চিত করে আসছে নাসা গ্রুপ। নাসা গ্রুপ বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য এক অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠান, যা পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। দেশ ও জাতির উন্নতির জন্য তাদের এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে বলের জানান কর্তৃপক্ষ।