• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী ঝালকাঠি জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শামীম, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ঢাকার কামরাঙ্গীচরে ১৩০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী রমজানের শিক্ষাকে ব্যক্তি জীবন থেকে রাষ্ট্রীয় জীবনে কাজে লাগাতে হবে — অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম জামিনের বিনিময়ে কোটি টাকা চাওয়ার ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি ঢাকা থেকে আরো ২৮ ফ্লাইট বাতিল, ১২ দিনে ৩৯১

ওসিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইজিপি’স কমপ্লেইন সেলে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি : / ২৪৪ পাঠক ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনকে একের পর এক সাজানো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো, চাঁদা দাবি ও পরিবারের ওপর হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ভুরুঙ্গামারী থানার ওসি আল হেলাল মাহমুদ, সাবেক ওসি মনিরুল ইসলাম ও এসআই জাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাংবাদিকের ছোট বোন মোছাঃ সাফিয়া। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রচার করায় সাংবাদিক আনোয়ারকে প্রথমে সাবেক ওসি মনিরুল ইসলাম বিনা ওয়ারেন্টে তুলে নিয়ে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠান। এরপর জামিনে থাকাকালীন আবারো সাজানো ছিনতাই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। অভিযোগকারী দাবি করেন, তাঁর বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার পর বাধ্য হয়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেন।

বর্তমান ওসি আল হেলাল মাহমুদও পরিকল্পিতভাবে আরও পাঁচটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়। পাশাপাশি এসআই জাহেদুল ইসলাম বাসায় গিয়ে ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। সাফিয়া অভিযোগে জানান, তাদের বৃদ্ধ বাবা-মা ও পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সাংবাদিক আনোয়ার বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে আছেন। একটি মামলায় জামিন পেলেই অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, সাজানো মামলা প্রত্যাহার এবং পরিবারের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য রংপুর রেঞ্জ বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে গোপনে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে অভিযোগপত্রে।
এবিষয়ে ওসি আল হেলাল মাহমুদ জানান, আপনারা নিউজ করুন আমার কিছু আসে যায় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত...
Link Copied!